হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক : কনসার্টের জন্য সদ্য ইতালির রোম শহরে গিয়েছিলেন নগরবাউল জেমস। এ সফরকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নগরবাউলের বিরুদ্ধে। কনসার্ট শেষে হোটেলের কক্ষ নোংরা করাসহ আয়োজকদের না জানিয়ে হোটেল ত্যাগের অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হলে সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্যান্ডটির মুখপাত্র ও ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। যে কক্ষটিকে ঘিরে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেখানে জেমস কিংবা ব্যান্ডের নিয়মিত কোনো সদস্য ছিলেন না বলে দাবি নগরবাউলের। এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার বলে উল্লেখ করেছেন জেমসের ম্যানেজার।

পরিচ্ছন্নতা বাবদ হোটেল কর্তৃপক্ষ জেমসকে ২০০ ইউরো জরিমানা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বলেন, ‘প্রথমত অভিযোগটা যে রুমকে কেন্দ্র করে উঠেছে— ৫৪৯ নম্বর রুম, সেই রুমে জেমস ভাই ছিলেনই না। জেমস ভাইয়ের রুম নম্বর ছিল ৩৪৫। আর আমি ছিলাম নিচের তলায় ২৪৬ নম্বর রুমে। ব্যান্ডের অন্য সদস্যরা ছিলেন ২৪৪ নম্বর রুমে।’

রবিন জানান, ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা তাদের এক অতিথি মিউজিশিয়ান, যিনি শুধু ওই অনুষ্ঠানের জন্যই চুক্তিবদ্ধ ছিলেন।

হোটেল ছেড়ে আসার ঘটনার বিবরণ দিয়ে জেমসের ম্যানেজার জানান, তারা নিয়ম মেনেই হোটেল থেকে চেক-আউট করেছেন। তবে নির্ধারিত সময়ে মূল আয়োজকদের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে রবিন বলেন, ‘আমরা যখন চেক-আউট করলাম, তখন তো হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছুই বলল না। আমাদের সমস্ত ডকুমেন্টস তো তাদের কাছে ছিল। ইতালি তো আইন অনুযায়ী চলে; কোনো সমস্যা হলে তারা ইচ্ছা করলেই আমাদের আটকাতে পারতো, জরিমানা নিতে পারতো। কিন্তু তখন কিছু করল না, চার-পাঁচ ঘণ্টা পর আয়োজকরা এই অভিযোগ নিয়ে আসছে।’

পরিচ্ছন্নতা চার্জ সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যায় তিনি যোগ করেন, ‘হোটেলের পলিসি অনুযায়ী চাদরে একটা কালির দাগ ফেললেও পরিচ্ছন্নতার জন্য বাড়তি চার্জ করা হয়, এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এটাকে এত বড় ইস্যু বানানোর মতো কিছু নেই। আর ভালো হোটেলে তো রুম প্রতিদিন পরিষ্কার করার কথা। আমরা একদম সাধারণ পলিসি অনুযায়ী রুম চেক-আউট করে ভেনিসের পরবর্তী অনুষ্ঠানের জন্য চলে আসছি।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রাত বাকী নাই

» উচ্চশিক্ষিত চরিত্রহীন ব্যক্তি চোর-ডাকাতের চেয়েও ভয়ংকর: এমপি মাসুদ

» শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রথম জয়

» সীরাতের বাস্তবায়ন ছাড়া রাষ্ট্রে শান্তি আসবে না: চরমোনাই পীর

» দায়িত্ব কোনো সামাজিক মর্যাদা নয়, গুরুত্বপূর্ণ আমানত : হামিদুর রহমান আযাদ

» এক দশকের পর সেই সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে ফিরছেন প্রিয়াঙ্কা

» পাকিস্তান কি শেষ পর্যন্ত চীন-আমেরিকার অস্ত্র-ফাঁদ থেকে বের হতে পারবে?

» ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ দেখতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ভিড়

» তাহসিফ হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ

» আজানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ছয় মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক : কনসার্টের জন্য সদ্য ইতালির রোম শহরে গিয়েছিলেন নগরবাউল জেমস। এ সফরকে কেন্দ্র করে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নগরবাউলের বিরুদ্ধে। কনসার্ট শেষে হোটেলের কক্ষ নোংরা করাসহ আয়োজকদের না জানিয়ে হোটেল ত্যাগের অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হলে সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্যান্ডটির মুখপাত্র ও ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। যে কক্ষটিকে ঘিরে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেখানে জেমস কিংবা ব্যান্ডের নিয়মিত কোনো সদস্য ছিলেন না বলে দাবি নগরবাউলের। এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার বলে উল্লেখ করেছেন জেমসের ম্যানেজার।

পরিচ্ছন্নতা বাবদ হোটেল কর্তৃপক্ষ জেমসকে ২০০ ইউরো জরিমানা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন বলেন, ‘প্রথমত অভিযোগটা যে রুমকে কেন্দ্র করে উঠেছে— ৫৪৯ নম্বর রুম, সেই রুমে জেমস ভাই ছিলেনই না। জেমস ভাইয়ের রুম নম্বর ছিল ৩৪৫। আর আমি ছিলাম নিচের তলায় ২৪৬ নম্বর রুমে। ব্যান্ডের অন্য সদস্যরা ছিলেন ২৪৪ নম্বর রুমে।’

রবিন জানান, ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা তাদের এক অতিথি মিউজিশিয়ান, যিনি শুধু ওই অনুষ্ঠানের জন্যই চুক্তিবদ্ধ ছিলেন।

হোটেল ছেড়ে আসার ঘটনার বিবরণ দিয়ে জেমসের ম্যানেজার জানান, তারা নিয়ম মেনেই হোটেল থেকে চেক-আউট করেছেন। তবে নির্ধারিত সময়ে মূল আয়োজকদের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে রবিন বলেন, ‘আমরা যখন চেক-আউট করলাম, তখন তো হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছুই বলল না। আমাদের সমস্ত ডকুমেন্টস তো তাদের কাছে ছিল। ইতালি তো আইন অনুযায়ী চলে; কোনো সমস্যা হলে তারা ইচ্ছা করলেই আমাদের আটকাতে পারতো, জরিমানা নিতে পারতো। কিন্তু তখন কিছু করল না, চার-পাঁচ ঘণ্টা পর আয়োজকরা এই অভিযোগ নিয়ে আসছে।’

পরিচ্ছন্নতা চার্জ সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যায় তিনি যোগ করেন, ‘হোটেলের পলিসি অনুযায়ী চাদরে একটা কালির দাগ ফেললেও পরিচ্ছন্নতার জন্য বাড়তি চার্জ করা হয়, এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এটাকে এত বড় ইস্যু বানানোর মতো কিছু নেই। আর ভালো হোটেলে তো রুম প্রতিদিন পরিষ্কার করার কথা। আমরা একদম সাধারণ পলিসি অনুযায়ী রুম চেক-আউট করে ভেনিসের পরবর্তী অনুষ্ঠানের জন্য চলে আসছি।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com